নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে `গবেষণা মেলা'

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে `গবেষণা মেলা'

যুগান্ত বার্তাঃ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র কর্তৃক আয়োজিত তৃতীয় গবেষণা মেলা সম্পন্ন হয়েছে। ১৪ই মে (বুধবার) সকাল ১০ টায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের সামনে অবস্থিত মুক্তমঞ্চে বেলুন উড়িয়ে ও কেক কেটে গবেষণা মেলা উদ্ভোধন করেন প্রধান অতিথি হিসেবে আগত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এইচ.এম. কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। উদ্বোধনী পর্বে সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উদ্বোধন শেষে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, "অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুধু জ্ঞান বিতরণ করা হয়, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে তা বিতরণ করা হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে যারা যত বিনিয়োগ করেছে, তারা ততো বেশি সফলতা পেয়েছে। বিশ্বের যেসকল উন্নত দেশ রয়েছে, তারা গবেষণায় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। বিল গেটস, মাইক্রোসফট, অ্যাপলসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ তারা সবাই গবেষণায় ব্যাপক পরিমাণে বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে উন্নতি লাভ করেছেন। তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে গবেষণার জন্য প্রচুর বিনিয়োগ করে থাকেন। ফলে বিভিন্ন নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে বিশ্ব আজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা মনে করি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই ধরণের মেধাবী শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আছেন, বর্তমানে তারা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত আছেন, আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়েও যারা আছেন তারা গবেষণার মাধ্যমে আমরা যে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির কথা বলছি, সেই নতুন জ্ঞান তৈরি করবেন এবং বিতরণের কাজ করবেন। আমরা যদি এই কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে পারি, তাহলে জ্ঞানভিত্তিক যে সমাজের কথা আমরা বলি, যার ভিত্তিতে দেশ এগিয়ে যাবে, সেটা হয়তো সম্ভব হবে।"

এরপর সকল অতিথিকে নিয়ে বিভিন্ন বিভাগের স্টল প্রদর্শন করা হয়। এবারের গবেষণা মেলায় স্টল বসানো হয়েছিল মোট ২৫টি বিভাগ, ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ, ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেল এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্রের। তারা তাদের স্ব-স্ব গবেষণা কর্ম উপস্থাপন করেন।

এই গবেষণা মেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় ছিলো শিক্ষার্থীদের সার্বিক অংশগ্রহণ এবং রিসার্চ আইডিয়া প্রতিযোগিতা, যেখানে মোট ৬ জন বিজয়ী হয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান করে এবারের গবেষণা মেলার সমাপ্তি হয়।

Comments

Popular posts from this blog

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক বিপ্লব গুরুতর আহত, সুযোগ বুঝে সর্বস্ব লুটলো চালক

জনসচেতনতা বৃদ্ধি করলেই ডেঙ্গুর প্রকোপ ও এর ভয়াবহতা দূর করা সম্ভব : সাখাওয়াত হোসেন খান

গণতন্ত্র হুমকির মুখে? গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করা শক্তির উত্থান হচ্ছে- মির্জা ফখরুলের সতর্ক বার্তা