আওয়ামীলীগের দোসর জুয়েলের দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ "ও এম এস" ডিলারেরা


যুগান্ত বার্তাঃ
পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জুয়েল এর বিরুদ্ধে "ও এম এস" এর ডিলারগণ মুখ খুলতে শুরু করেছে উল্লেখ্য গত ২৫-০৬-২৫ ইং তারিখে  সকাল ১১ঃ৩০ মিনিটে ডিলার নিয়োগের উপর ভিত্তি  করে ডিসি অফিসে লটারির ব্যবস্থা করা হয়। ডিসি জায়েদুল ইসলাম জরুরী কাজে ব্যস্ত থাকায় ০২ টি লটারি নিজে উঠান এবং ঘোষণা দিয়ে চলে যান আর তারপরই শুরু হয় জুয়েলের কর্মকান্ড। 

ডিলার নিয়োগের অনিয়ম দুর্নীতি এবং কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন বলে অসংখ্য ডিলারগণ অভিযোগ করেছেন পরিদশর্ক আমিনুল ইসলাম জুয়েল এর বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক  ডিলার জানান, আমিনুল ইসলাম জুয়েল আমাকে বলেন ডিলার পেতে হলে আমাকে নগদ ২ লক্ষ টাকা দিয়ে যান ২৫ তারিখে কনফার্ম করলে বাকি ৮ লাখ দিয়ে দেবেন। এভাবেই  তিনি  অনেক ডিলারের কাছ থেকে ১০ হতে ১২ /১৫ লাখ টাকাও পর্যন্ত নিয়েছেন এবং একজন ডিলারকে বিভিন্ন নামে তিনটি চারটি পাঁচটি করে ডিলার নিয়োগ দিয়েছেন ।এই দুর্নীতিবাজ খাদ্য পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জুয়েল  পুরাতন ডিলার নীরব নামে এক ব্যাক্তির তিনটি ডিলার চুক্তির মাধ্যেমে দিয়ে  দেন তার আত্মীয়-স্বজনের নাম দিয়ে।মোঃ আনোয়ার হোসেন নামে এক পুরাতন ডিলারকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে  চারটি ডিলার দিয়ে  দেন।  তার মায়ের নামে ১টা তার  শ্বাশুড়ির নামে ১টা, আনোয়ারের নিজের নামে একটা বাকি একজন তার আত্মীয়র নামে ১টা মোট চারটি ডিলার আনোযার কে পাইয়ে দেন। এমনি করে দশ লক্ষ করে টাকা নিয়ে পুনরায় অনেক পুরাতন ডিলারদের ২টি,৩টি চার টি করে  ডিলার নিয়োগ প্রদান করেন। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যাপক অনিয়মের  অভিযোগ নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক কে ঘুমের ঘরে রেখে লটারীর নামে আগেই বাছাই করে রেখেছেন ২০ টি, পরে জেলা প্রশাসক কে দিয়ে দুই একটি লটারী তুলে রেখেছেন যেন   বৈধতা করানো যায়। এধরনের অনিয়ম কার্যক্রম করে যাচ্ছে এদিকে নাঃগঞ্জ জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রন মোঃ বাবুল মিয়াকে ম্যানেজ করে দীর্ঘ দিন যাবৎ এই অকর্ম করে যাচ্ছেন। কয়েকজন পুরাতন ডিলার বলেন, এই খাদ্য পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম নির্ধারিত করে দেন প্রতিদিন ৫০০০টাকা করে প্রতি ডিলার সপ্তাহে যে কদিন দোকান চলবে সেই কয়দিনের টাকা খাদ্য নিয়ন্ত্রন অফিসে এই জুয়েলের কাছে দিবে। প্রতি সপ্তাহে যদি চারদিন হয় তাহলে বিশহাজার টাকা তিন দিন হলে ১৫০০০টাকা প্রতি বৃহস্পতিবার  আমিনুল ইসলাম জুয়েল কে দিতে হতো। বিনিময়ে চাউল আটা বাহিরে বিক্রয় করার সুযোগ করে দিবে। তার আপন বিয়াই কে একটা ডিলার দেন, তার সহকারী জহিরের ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম কেও একটা ডিলার  দেন, তার মেয়ের জামাই মোঃ বিল্লাল হোসেন কে খাদ্য নিয়ন্ত্রন এর তদারকি অফিসার হিসাবে চাকুরী দেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে রয়েছে মাদকের অভিযোগ একজন ও এম এস ডিলার বলেন নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক এই আমিনুল ইসলাম জুয়েল তার সাথে আমার কোন কারনে গভীর সম্পর্ক হয়েছে  এই আমিনুল ইসলাম জুয়েল  প্রতি দিন চারটি করে ফেনসিডিল সেবন করেন। মাঝে মাঝে আমি তার সাথে কালির বাজার চাউল আটার দোকানে যেতাম তখন সে দোকানের পিছনে গিয়ে ফেনসিডিল সেবন করতেন।  তাছাড়া ষোল বছর খাদ্যমন্ত্রী সাধন মজুমদারের সাথে ছিলো তার দহরম মহরম সম্পর্ক। সে ঐ সময় তিনি ডিলারদের ভয়ে রাখতেন  বুঝাতেন খাদ্যমন্ত্রীর সাথে তার ভাল সম্পর্ক দাপটের সাথে চলতেন।  এক ডিলার বলেন জুয়েলের কথাবার্তা আমার কাছে রেকডিং আছে আমি লাগলে সময় মত দেবো। আরেকজন ডিলার বলেন আমার কাছেও ভিডিও করা আছে আমিও সময় মত লাগলে বের করে দেবো। এই দুর্নিতীবাজ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জুয়েলের বিরোদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে জরুরী ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করেছেন ডিলারররা। পুনরায় সবার উপস্থিতের লটারীর মাধ্যেমে ডিলার নিয়োগ দেওয়ার ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।

Comments

Popular posts from this blog

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক বিপ্লব গুরুতর আহত, সুযোগ বুঝে সর্বস্ব লুটলো চালক

জনসচেতনতা বৃদ্ধি করলেই ডেঙ্গুর প্রকোপ ও এর ভয়াবহতা দূর করা সম্ভব : সাখাওয়াত হোসেন খান

গণতন্ত্র হুমকির মুখে? গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করা শক্তির উত্থান হচ্ছে- মির্জা ফখরুলের সতর্ক বার্তা