তালাক দেওয়ার কারন জানতে চাওয়ায় ভরা বাজারে স্ত্রীকে জনসাধারণের সম্মুখে লাঠি পেটা করায় স্ত্রী কর্তৃক থানায় অভিযোগ।
এস এম কামরুল হাসান বিপ্লব (বিশেষ প্রতিনিধি):- পাবনা, জেলার ফরিদপুর থানার বিল চান্দুক গ্রামে গৃহবধূ মোছাঃ কমেলা খাতুন (৪৫) কে বছরের পর বছর নির্যাতন করে আসছে তার স্বামী মোঃ আবুল কালাম। শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করেও তিনি দীর্ঘ দিন সংসার করে আসছেন। গত ৩০/০৭/২০২৫ ইং তারিখে তার স্বামী তাকে কোনো কিছু না জানিয়ে একটি তালাকের নোটিশ প্রদান করেন। তালাকের নোটিশ হাতে পেয়ে তার স্ত্রী,র মোছাঃ কোমেলা খাতুন তার স্বামী মোঃ আবু কালাম এর নিকট কাবিনের কাগজ আনতে যায় এবং তাকে প্রশ্ন করেন তাকে কেনো সে তালাকের নোটিশ প্রদান করেছে এবং তার ভূল কী? এমতাবস্থায় তার স্বামী মোঃ আবু কালাম, পাবনা জেলার,ফরিদপুর উপজেলার বিল চান্দুক গ্রামের ভরা বাজারে তার স্ত্রীকে জনসাধারণের সম্মুখে লাঠি এবং হাত দিয়ে অনেক মারধর করে তার স্ত্রী মোছাঃ কোমেলা খাতুন কে। এক পর্যায়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গৃহবধূ মোছাঃ কমেলা খাতুন অবশেষে ফরিদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে পাষন্ড স্বামীর বিরুদ্ধে।
( ২৮ আগষ্ট ) বৃহস্পতিবার দুপুরে তার স্বামী মোঃ আবু কালাম এর বিরুদ্ধে ফরিদপুর থানায় এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোছাঃ কোমেলা খাতুন।
উল্লেখ্য যে, মোছাঃ কোমেলা খাতুন, পাবনা জেলার, সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আমিনপুর থানার, সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ বছর পূর্বে পাবনা, জেলার সুজানগর উপজেলার সোনালতা গ্রামের আহম্মদপুর ইউনিয়নের মৃত ময়েজউদ্দিন সেখ এর মেয়ে মোছাঃ কোমেলা খাতুন এবং মৃত রইচ উদ্দিন মন্ডল এর ছেলে মোঃ আবু কালাম(৫৫) এর সাথে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই স্ত্রীর সাথে প্রায় সময়ই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শারীরিক ও অমানুষিক নির্যাতন চালায় তার স্বামী।
বর্তমানে তিনি চিকিৎসা অবস্থায় রয়েছেন।
এ বিষয়ে ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, গৃহবধূকে নির্যাতনের একটি অভিযোগ পেয়েছি, অবশ্যই তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments