উইকিপিডিয়ার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠালো হেযবুত তওহীদ!

যুগান্ত বার্তাঃ হেযবুত তওহীদ আন্দোলনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে ‘উইকিপিডিয়া বাংলাদেশ’ (উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ)-এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২২ জন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও অ্যাডমিনের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মো. আবু তৈয়ব হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক এস এম সুজনের পক্ষে এই আইনি নোটিশ প্রেরণ করেন।
নোটিশটি উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের রাজধানীর নিউ এলিফ্যান্ট রোডের (কাটাবন) ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। নোটিশ গ্রহীতাদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি শাবাব মুস্তাফা, সাধারণ সম্পাদক মাসুম আল হাসান রকি, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ব্যুরোক্র্যাট তানভির রহমান, ব্যবহারকারী পরীক্ষক ও ব্যুরোক্র্যাট নাহিদ সুলতান, কোষাধ্যক্ষ মহীন রীয়াদ, অন্তর্বতীকালীন কোষাধ্যক্ষ দোলন প্রভা, এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আলী হায়দার খান।
এছাড়াও অংকন ঘোষ দস্তিদার, আর কে হান্নান, তানবিন ইসলাম সিয়াম, আশিক রেহমান, আশিক শাওন, ফেরদৌস, এমএস সাকিব, এমডিএস শাকিল, রিয়াজ এসিইউ, শুভ রায়, ইয়াহিয়া, জাহীন, আফতাবুজ্জামান ও রুহানসহ উইকিপিডিয়া বাংলা সংস্করণের বিভিন্ন প্রশাসক ও দায়িত্বশীলদের এই নোটিশের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।
আইনজীবী মো. আবু তৈয়ব নোটিশে উল্লেখ করেন, তার মক্কেল এস এম সুজন হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক। ১৯৯৫ সালে টাঙ্গাইলের করটিয়ার ঐতিহ্যবাহী পন্নী পরিবারের সন্তান মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী এই অরাজনৈতিক আন্দোলনটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি দেশের প্রচলিত আইন মেনে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও গুজবের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে আসছে।
নোটিশে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন সময়ে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে যে, হেযবুত তওহীদ কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন নয় এবং এর সদস্যরা কোনো জঙ্গি তৎপরতা বা বে-আইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়। সংগঠনটি ধর্মীয় আদর্শ প্রচারের কাজ করে থাকে।
নোটিশে অভিযোগ করা হয়, সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালতের নির্দেশনা থাকার পরেও উইকিপিডিয়া বাংলাদেশ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে ও পারস্পরিক যোগসাজশে হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করছেন। উইকিপিডিয়াতে সংগঠনটিকে ‘ধর্মীয় উগ্রবাদী’ বা নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে এবং কালোতালিকাভুক্ত না হওয়া সত্তেও 'কালোতালিকাভুক্ত' শীর্ষক অপপ্রচার করে সুনাম ক্ষুণ্ন ও মানহানি করা হচ্ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশ প্রাপ্তির পর অসত্য তথ্য অপসারণ না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
Comments